মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বৈলছড়ি নজমু্ন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

অত্র বিদ্যালয়টি বাঁশখালী উপজেলার মধ্যভাগে প্রধান সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে এক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি ১ একর ৬৭ শতক জায়গায় ২টি দ্বিতল, ৩টি একতল পাকা ভবন এবং ২টি সেমিপাকা ভবন নিয়ে অবস্থিত। যার সামনে একটি বড় খেলার মাঠ ও বিদ্যালয়ের পশ্চিম দিকে একটি মসজিদ অবস্থিত। অবকাটামোগত দিক দিয়ে অত্র বিদ্যালয়টি দক্ষিণ চট্টগ্রামের এক অন্যতম প্রতিষ্ঠান।

১৯৫২

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সমৃদ্ধশালী উপজেলা বাঁশখালী। বাঁশখালীর প্রাণকেন্দ্রে বৈলছড়ী নজমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবস্থান। আমিরুল হজ্ব খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী তাঁর স্ত্রীর নামকরণে ১৯৫২ সালে অত্র বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩০ সালে এ বিদ্যালয় জুনিয়র মাদ্রাসা হিসাবে প্রথম প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। কিন্তু ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের পর কালের আবর্তে নানান প্রতিকূল অবস্থা এবং এলকার জনগণের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বজন শ্রদ্ধেয় খান বাহাদুর সাহেব জুনিয়ার মাদ্রাসাকে হাই ইংলিশ স্কুলে রূপান্তরিত করেন।

১৯৫২ সালের প্রথম দিকে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে বৈলছড়ী ইউনিয়ন, কাথরিয়া ইউনিয়ন, সরল ইউনিয়ন ও বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিন অংশের আপামর জনগণ অত্র বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আনন্দিত ও উৎফুল্ল ছিলেন এবং অনেকে সক্রিয় সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন। তৎমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ৭ ব্যক্তি হলেন-

যথাঃ খান সাহেব আল্হাজ্ব রফিক আহমদ চৌধুরী, আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম চৌধুরী, সতীশ চন্দ্র সেন, অর্দ্ধেন্দু বিমল সিকদার, মাস্টার নজির আহমদ, সৈয়দ ছমদুল হক ও নগেন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচার্য (নবপন্ডিত) যাঁরা আজ পরপারে।

আরো যাঁরা সহযোগিতায় ছিলেন তাঁদের মধ্যে আলহাজ্ব সাহেব মিঞা চৌধুরী (গুনাগরী), রশিদ আহমদ চৌধুরী (সরল), আব্দুল অদুদ চৌধুরী (কাথরিয়া), ছাবের আহমদ চৌধুরী (মানিকপাঠান). রমণী মোহন তালুকদার (বৈলছড়ী), মওলানা আব্দুল কাদের (ভাদালিয়া), প্রসন্ন কুমার চক্রবর্ত্তী (চেচুরিয়া), ডাঃ নগেন্দ্র চন্দ্র নন্দী(রাউজান), মওলানা কবির আহমদ (বৈলছড়ী), মৌলভী ফরিদ আহমদ(বাগমারা), উল্লেখযোগ্য। মাষ্টার আবু আহমদ ও মোজাহের আহমদ চৌধুরী (চেচুরিয়া) এবং আলতাফ আহমদ চৌধুরী (বৈলছড়ী) জীবনসায়াহ্নে এসেও অদ্যবধি বিদ্যালয়ের পূর্বসুরীদের স্মৃতি সমুজ্জ্বল করে রেখেছেন।

১৯৫২ সালের প্রথম দিকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। বিদ্যালয়ের ঘর, আসবাবপত্র, শিক্ষক বেতন ও নৈমিত্তিক খরচ প্রতিষ্ঠাতা খানা বাহাদুর সাহেব বহন করে চলেছিলেন। স্থানীয় শুভাকাংখীরা অধ্যয়নরত ছাত্রদেরকে লজিং রাখতে এগিয়ে আসেন। শ্রদ্ধেয় খান বাহাদুর সাহেবের কাছারী ঘরেও ছাত্ররা থাকত খাওয়া-দাওয়া ফ্রী সহ। ১৯৫৪ সালে বিদ্যালয় থেকে প্রথম মেট্রিক পরীক্ষায় ৪ জন ছাত্র উত্তীর্ণ হয় এবং বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র বাবু সুধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে খেলাধূলা বিশেষ করে ফুটবলে নতুন বিদ্যালয় হিসাবে বৃহত্তর চট্টগ্রামে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়।

বিদ্যালয় হাঁটি-হাঁটি পা-পা করে অগ্রসর হতে থাকে। সাথে সাথে শ্রদ্ধেয় খান বাহাদুর সাহেব তাঁর নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়নে বিদ্যালয়টিকে চালিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। তখন সরকারী মঞ্জুরী ও দিক নির্দেশনার নিয়ম থাকলেও শিক্ষককল্যাণ ভাতা বা উন্নয়ন খাতে সরকারী অনুদান উল্লেখ করার মত ছিল না। শ্রদ্ধেয় খান বাহাদুর সাহেবের জীবদ্দশায় বিদ্যালয়ের দালান ও মাঠ সহ ১.৫৬ একর ভূমি ৯৪X২৮ এবং ১৩০X২৪ ফুট লম্বা ২টি সেমি পাকা দালান, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র রেখে ১৯৬২ সালের ১৩ই এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।

শ্রদ্ধেয় খানা বাহাদুর সাহেবের ইন্তেকাল পরবর্তীতে বিদ্যালয় পরিচালনায় এগিয়ে আসেন তাঁরই প্রথম পুত্র জনাব আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বিদ্যালয়ের সেক্রেটারী হিসাবে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তখন পদাধিকার বলে সভাপতির দায়িত্বে থাকতেন তদানীন্তন মহকুমা প্রশাসক। তিনি সরকারী সহযোগিতা নিয়ে বিদ্যালয়ের পশ্চিমাংশের সাবেক সেমি পাকা দালানকে দ্বিতল ভবনে রূপান্তর করেন এবং বিদ্যালয়ের মাঠ সংলগ্ন পশ্চিমাংশে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ এবং তৎউপরের তলায় বিজ্ঞান ভবন নির্মাণ করিয়ে নিতে সক্ষম হন। তিনি প্রধান শিক্ষক বাবু অর্দ্ধেন্দু বিমল সিকদারকে সার্বিক সহযোগিতা দানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অগ্রগতিতে অবদান রেখেছিলেন।

         ১৯৭১ সালে ১৬ই ডিসেম্বর দেশ পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা লাভ করার পর বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসাবে দায়িত্বে আসেন প্রতিষ্ঠাতার ৪র্থ পুত্র জনাব মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। ১৯৭২ সাল থেকে সরকারী নির্দেশমতে প্রধান শিক্ষক সেক্রেটারী হিসাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। জনাব মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী পরিচালনা পরিষদসহ প্রধান শিক্ষক বাবু অর্দ্ধেন্দু বিমল সিকদার ও তাঁর অবসরে প্রধান শিক্ষক শেখ মোস্তাক আহমদ ও সহ-সভাপতি বাবু সুধীর রঞ্জন চৌধুরীর সহযোগিতা নিয়ে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিচালনায় অবদান রাখেন। তিনি বিদ্যালয়ে সোনালী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, বিদ্যালয়ের পশ্চিমাংশের উপরের তলার অবশিষ্টাংশ সম্পূর্ণ করেন এবং বিদ্যালয়ের মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বে শহীদ ফরহাদ নামকরণে ছাত্রাবাস নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে এ ছাত্রাবাস টেলিফোন একচেঞ্জ গৃহ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বিদ্যালয়ের পশ্চিমাংশের ভবনের দ্বিতলের অবশিষ্টাংশ নির্মাণে প্রতিষ্ঠাতার দ্বিতীয় পুত্র জনাব অলিউল ইসলাম চৌধুরী সুক্কু মিঞাও অবদান রেখেছিলেন।

         ১৯৮৮ সালে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য ও সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতার ৩য় পুত্র কলামিষ্ট জনাব আলহাজ্ব আহমদুল ইসলাম চৌধুরী।

            জনাব আলহাজ্ব আহমদুল ইসলাম চৌধুরীর দায়িত্ব গ্রহণের পর পর পরিচালনা পরিষদের সহযোগিতা নিয়ে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয় একই দালান থেকে উভয় প্রতিষ্ঠানকে ভিন্ন ভিন্ন দালানে পৃথক করে দীর্ঘ দিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার সমাধান করেন। তৎপরবর্তীতে ১৯৯১ সালে তিনি ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যাধিক্য হেতু আসন-সমস্যা নিরসনকল্পে জরুরী ভিত্তিতে সকাল-দুপুর দুই শিফটে ক্লাস পৃথকীকরণের উদ্যোগ নেন। তৎপ্রয়োজনে ৫ জন শিক্ষক, ১ জন ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী ও ২ জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নতুনভাবে নিয়োগ দেন, যারা আজ সরকারী তালিকা ও বেতনভূক্ত হওয়ার সুযোগ লাভ করে। তাঁরই প্রচেষ্টায় ১৯৮৯ সালে উপজেলা তহবিলের অর্থায়নে বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পার্শ্বে ছাত্র/ছাত্রীদের যাতায়াতের সুবির্ধার্থে ছড়ার উপর পাকা সেতু নির্মিত হয় এবং বিদ্যালয়ের পূর্ব পার্শ্বে বর্তমান টেলিফোন একচেঞ্জ ভবনটি নির্মিত হয়।  পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে উক্ত একচেঞ্জ ভবন সম্পূর্ণ করার পর আজ অবধি বিদ্যালয়ের ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

জনাব আলহাজ্ব আহমদুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৯২ সালে বিদ্যালয়  দালানের পিছনে (উত্তর পার্শ্বে) নতুন সূত্রে বিদ্যালয়ের নামে ২৭ শতক জমি খরিদের ব্যবস্থা করেন। সাথে সাথে উক্ত জমির পশ্চিমাংশে ৯০র্ দীর্ঘ এক টিনশেড ঘর নির্মানের ব্যবস্থা করে সাময়িকভাবে চালুকৃত সকাল-দুপুর শিফটকে প্রয়োজনীয় শ্রেণীকক্ষের ব্যবস্থা করে দুপুরের একই শিফটে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ কৃতি ছাত্র গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব পরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কুমিল্লা জেলা পরিষদ, কুমিল্লা জনাব এস.এম. মেসবাউল ইসলাম (মজনু) এর সহযোগিতায় ও আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে উক্ত খরিদকৃত ভূমির পূর্ব পার্শ্বে উত্তর-দক্ষিণ লম্বা ৭৫র্ দীর্ঘ একটি একতলাবিশিষ্ট দালান নির্মিত হয় সরকারী অর্থায়নে। টিনশেড ও দালান নির্মিত হওয়ায় এক শিফটে বিদ্যালয় চালু করতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়েছিল। গোল্ডেন জুবিলীকে সামনে রেখে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার কনিষ্ঠ পুত্র ও বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র সপরিবারে আমেরিকার ডালাস প্রবাসী জনাব রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী MBA; C.P.A.এক লক্ষ টাকা বিদ্যালয়কে দান করেন। ডিসেম্বর ২০০১ সালে বিদ্যালয়ের খরিদকৃত জমির উত্তর পার্শ্বে দক্ষিণমূখী পরিকল্পনাধীন ৪ তলা দালানের নির্মাণকাজ শুরু করা হয় জনাব রায়হানুল ইসলাম চৌধুরীর প্রদত্ত টাকা দিয়ে।

১৯৯১ইং ও ১৯৯৭ইং এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যালয়ের টিনশেড পাকা গৃহ দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যা পুনঃমেরামত করতে স্কুলের প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়েছিল।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শ্রদ্ধেয় খান বাহাদুর সাহেব কর্তৃক নির্মিত টিনশেড় সেমি পাকা ১৩০র্ X২৪র্ ফুট পূর্ব-পশ্চিম লম্বা দক্ষিণমুখি ভবনটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে আছে। তারপরও নতুন খরিদকৃত জমিতে নির্মাণাধীন দালানের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত টিনশেড দালানের শ্রেণীকক্ষে পাঠ দান চালিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের দক্ষিণে পশ্চিমে ও উত্তরে সম্প্রসারণের সুযোগ নাই। ফলে উত্তর পার্শ্বে ২৭ শতক জমির পশ্চিমে উত্তরে নতুনভাবে জমি খরিদের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সেই মোতাবেক জমি মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কলামিষ্ট আলহাজ্ব আহমদুল ইসলাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি বদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সদস্যবৃন্দ ও শিক্ষক পরিষদ, অভিভাবক, প্রাক্তণ ছাত্র/ছাত্রী এবং শুভাকাংখী এর সার্বিক সহযোগিতায় বিদ্যালয় উত্তরোত্তর অগ্রগতির দিকে এগুচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ১৬৬২ জন ছাত্র/ছাত্রী ২৬ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা, ২জন অফিস সহকারী, ৪জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী রয়েছে। বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষা চালু ও বিজ্ঞানাগার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। ছাত্র/ছাত্রী অনুপাতে বর্তমান গৃহাদি অপর্যাপ্ত। বিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে নতুন করে বহুতলবিশিষ্ট দালান নির্মাণ অপরিহার্য, কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তা হয়ে উঠছে না। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছি।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
জনাব গোলামুর রহমান 01712914035 bnhighschool381@Gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

৩/৩/২০১3ইং

শ্রেণী

শাখা

ছাত্র-ছাত্রীর

ক্রমিক নং

ছাত্র

ছাত্রী

শ্রেণী ভিত্তিক

মোট ছাত্র/ছাত্রী

সর্বমোট

ছাত্র/ছাত্রী

৬ষ্ঠ

A

(১ হতে ১১০)

১১০ জন

 

২২৫ জন ছাত্র

৪৫৯জন

৬ষ্ঠ

A

(১ হতে ১১০)

১১০ জন

 

,,

C

(১ হতে ৮০)

 

৮০ জন

২৩৪ জন ছাত্রী

,,

D

(৮১ হতে ১৬০)

 

৮০ জন

,,

E

(১৬১ হতে ২৩৪)

 

৭৪ জন

৭ম

A

(১ হতে ৮০)

৮০ জন

 

১৫৮ জন ছাত্র

৪০৫ জন

৭ম

B

(৮১ হতে ১৫৮)

৭৮ জন

 

৭ম

C

(১ হতে ১০০)

 

১০০ জন

২৪৭ জন ছাত্রী

৭ম

D

(১০১ হতে ২৪৭)

 

১৪৭ জন

৮ম

A

(১ হতে ৭৫)

৭৫ জন

 

১৪২ জন ছাত্র

৩৯১ জন

৮ম

B

(৭৬ হতে ১৩৬)

৬৭ জন

 

৮ম

C

(১ হতে ১০০)

 

১০২জন

২৪৯ জন ছাত্রী

৮ম

D

(১০১ হতে ২৪০)

 

১৪৭ জন

৯ম

A

(বিঃ ১-২১)

(মাঃ ১-১২)

(বাঃ ১-৫৩)

২০ জন

১২ জন

৫১ জন

 

৮৩ জন ছাত্র

১৮৩ জন

৯ম

B

(বিঃ ১-৯)

(মাঃ ১-৫৪)

(বাঃ ১-৩৭)

 

০৯ জন

৫৪ জন

৩৭ জন

১০০ জন ছাত্রী

১০ম

A

(বিঃ ১-৮)

(বাঃ ১-৭০)

(মাঃ ১-১৩)

০৮ জন

৭০ জন

১৩ জন

 

৯১ জন ছাত্র

২০৪জন

১০ম

B

(বিঃ ১-৪)

(বাঃ ১-৬১)

(মাঃ ১-৪৮)

 

 

         

০৪ জন

৬১ জন

৪৮ জন

১১৩ জন ছাত্রী

 

 

 

৬৯৯ জন

৯৪৩ জন

১৬৪২ জন

 

৯২.৪৪%

পরিচালনা কমিটির তথ্য (বর্তমান পরিচালনা কমিটি)

 

ক্রমিক

নাম

পদবী

শিক্ষাগত  যোগ্যতা

ক্যাটাগরি

আলহাজ্ব আহমদুল ইসলাম চৌধুরী

সভাপতি

 

প্রতিষ্ঠাতা

আলহাজ্ব বদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী

সদস্য

 

কো-অপ্ট

এস.এস. মাহাবুবুল ইসলাম টুকু

সদস্য

 

দাতা

ডাঃ আজিজুল হক

সদস্য

 

অভিভাবক

আলহাজ্ব জাফর আহমদ চৌধুরী

সদস্য

 

অভিভাবক

ডাঃ জ্যোতিশ চন্দ্র দাশ

সদস্য

 

অভিভাবক

শিবু প্রসাদ চৌধুরী

সদস্য

 

অভিভাবক

রোকেয়া বেগম

সদস্য

 

অভিভাবক

অনিল কান্তি ধর

সদস্য

 

শিক্ষক প্রতিনিধি

১০

মৌলানা আহমদ হোসাইন

সদস্য

 

শিক্ষক প্রতিনিধি

১১

সম্পা দাশ

সদস্য

 

শিক্ষক প্রতিনিধি

১২

গোলামুর রহমান

সদস্য সচিব

 

প্রধান শিক্ষক

 

সাল

পরীক্ষার্থী

পাশ

পাশের হার

২০০৯

১১৮

৮৯

৭৫.৪২%

২০১০

১৩০

৯৪

৭২.৩১%

২০১১

১৩২

১১০

৮৩.৯৭%

২০১২

১৬৩

১২৯

৭৯.১৪%

২০১৩

১৭২

১৫৯

৯২.৪৪%

২০০৭ সালে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ৫ জন (সাধারন), ২০০৮ সালে ১ জন টেলেন্টপুল, ১জন সাধারণ মোট = ২ জন, ২০০৯সালে ২ জন সাধারণ, ২০১০ সালে জে.এস.সি.তে ৭জন টেলেন্টপুল, ৭জন সাধারণ, মোট= ১৪ জন এবং ২০১১ সালে ৪জন টেলেন্টপুল, ৪জন সাধারণ মোট ৮জন শিক্ষাবৃত্তি লাভ করে।

বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে ক্রমান্বয়ে অত্র এলাকায় শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী এ স্কুল থেকে পাশ করে দেশের গুরুত্ব পদে দায়িত্ব পালন করেছে।

এলাকার সকল ছেলে-মেয়েকে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদান ও ১০০% মাধ্যমিক শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করণ। পাশাপাশি শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি করণ।

উপজেলা সদর থেকে ৫ কি.মি. দূরে বাস/সি.এন.জি যোগে এবং চট্টগ্রাম শহর থেকে বাস/সি.এন.জি যোগে অত্র বিদ্যালয়ে সহজে যাতায়াত করা যায়। bnhighschool_381@Gmail.com